মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

১. জনগনের সেবা নিশ্চিত করার জন্য জেলার পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এএসপি(সদর), সংশ্লিষ্ট সার্কেল এএসপি এবং থানার অফিসার ইনর্চাজ এর টেলিফোন নম্বর থানার প্রকাশ্য স্থানে প্রদর্শন করা হয়েছে।

২. প্রত্যেক থানায় সার্ভিস সেন্টার চালু করা হয়েছে। সেখান থেকে পুলিশের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগনকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

৩. থানায় জিডি করতে আসা ব্যক্তির আবেদনকৃত বিষয়ে ডিউটি অফিসার সর্বাত্মক সহযোগীতা প্রদান করে এবং আবেদনের দ্বিতীয় কপিতে জিডি নম্বর, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট অফিসারের স্বাক্ষর ও সীল মোহর সহতা আবেদন কারীকে প্রদান করে বর্নিত জিডি সংক্রান্ত বিষয়ে যথা শীঘ্র সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহন করে এবং গৃহীত ব্যবস্থা পুনরায় আবেদনকারী কে অবহিত করা হয়।

৪. উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ নিয়মিত থানা চত্ত্বরে ওপেন হাউজ-ডের মাধ্যমে সাধারন জনগনের সমস্যা শোনেন এবং আইনগত সমস্যা সমাধান করনে কার্যকরী ব্যবস্থ গ্রহণ করা হয়।

৫. উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ নিয়মিত কমিউনিটি পুলিশিং-এর মাধ্যমে অপরাধ দমন মুলক/জনসংযোগ মুলকসভা করেন এবং সামাজিক সদস্য সমুহের আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়।

৬. থানায় ধর্তব্য অপরাধের অভিযোগ করতে আসা ব্যক্তির মৌখিক/লিখিত বক্তব্য অফির্সার ইনচার্জ কর্তৃক এজাহারভূক্ত করে এবং আগত ব্যক্তিকে মামলার নম্বর, তারিখ ও ধারা এবং তদন্তকারী অফিসারের নাম ও পদবী অবহিত করে।তদন্তকারী অফিসার এজাহারকারীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে এবং তদন্ত সমাপ্ত হলে তাঁকে ফলাফল লিখিত ভাবে জানিয়ে।

৭. আহত ভিকটিমকে থানা হতে সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করে।

৮. মহিলা আসামী/ভিকটিমকে যথাসম্ভব মহিলা পুলিশের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

৯. পাসপোর্ট/ভেরিফিকেশন/আগ্নেয়াস্ত্রলাইসেন্স ইত্যাদি বিষয়ে সকল অনুসন্ধান প্রাপ্তির ০৩(তিন) দিনের মধ্যে সম্পন্ন করে থানা হতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়।

১০. বিদেশেচাকুরী/উচ্চশিক্ষার জন্য গমনেচ্ছুপ্রাথীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করে।

১১. ব্যাংক হতে কোন প্রতিষ্ঠান অধিক পরিমান টাকা উত্তোলন করলে উক্ত টাকা নিরাপদে নেওয়ার জন্য চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ এস্কটের    ব্যবস্থা করা হয়।

১২. জেলা শহরে যানবাহন নিয়ন্ত্রনে ট্রাফিক বিভাগ, ট্রাফিক সংশ্লিষ্ট কি কি সেবা প্রদান করছে তা প্রকাশ্য স্থানে প্রর্দর্শিত করে।

১৩.    এলাকার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ।

১৪.    জনগনের জান ও মালের নিরাপত্তা বিধান।

১৫.   বিদ্যমান আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করন।

১৬.  অপরাধী ও আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি বিঘ্ন ঘটানোর অপচেষ্টাকারীদের আইনের আওতায় আনয়ন।

১৭.   এলাকার আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির স্থিতাবস্থা নিশ্চিত কল্পে গোয়েন্দা তৎপরতাচালানো।

১৮.  ফৌজদারী মামলার তদন্ত কার্যপরিচালনা ও তদন্ত কার্য শেষে আদালতে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল।

১৯.   হাটবাজার, হাইওয়ে, সড়কপথ এবং বৃহৎ  জনসমাগমের স্থলে জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করন।  

২০.   গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও হাইওয়ে সড়ক পথের নৈশকালীন প্রহরা নিশ্চিত করন।

২১.   অপমৃত্যু মামলার সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্ত্তত করন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অপমৃত্যু মামলা দায়ের।

২২.   বেআইনী জনতা এবং বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গঁ করণে ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয়পদক্ষেপ   গ্রহণ।

২৩.   যুদ্ধপীড়িতদেশসমূহেরআইনশৃংখলাপরিস্থিতিস্থিতাবস্থানিশ্চিতকরনওঐসকলএলাকারজনগণেরজানমালেরনিরাপত্তানিশ্চিতকরনেতৎপরতাপরিচালনা।

২৪.   পোর্ট পুলিশ হিসাবে পোর্ট এলাকায় আগত দর্শনার্থীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করন।

২৫.   অপরাধী, সন্ত্রাসী, মাদকব্যবসায়ী, চোরাকারবারী, বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধীদের আইনের     আওতায় আনায়ন।

২৬.  বিদেশেগমণেইচ্ছুক এবং চাকুরীপ্রর্থী ও চাকুরীর জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিদের পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা এবং তাহাদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রদান।


Share with :

Facebook Twitter